
রাজশাহী সীমান্তে বিজিবির পৃথক অভিযান বিপুল পরিমাণ মাদক ও যৌন উত্তেজক ট্যাবলেট জব্দ

লোহাগাড়া মাদরাসার এডহক কমিটি গঠনে অনিয়ম
লোহাগাড়া মাদরাসার এডহক কমিটি গঠনে অনিয়ম
পড়তে পারেন

পাঠকের মন্তব্য
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।
মন্তব্য
বাছাই সংবাদ
পুঠিয়ায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে ৪ মাদক কারবারি ও সেবীকে গ্রেপ্তার, জরিমানা ও কারাদণ্ড
পড়তে পারেন

শুক্রবার ১১সেপ্টেম্বর, ক্রাইম নিউজ প্রতিদিন: রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলায় মাদকের বিস্তার রোধ এবং যুবসমাজকে মাদকমুক্ত রাখার লক্ষ্যে এক বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে উপজেলা প্রশাসন। বিভিন্ন স্থান থেকে পাওয়া সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে উপজেলার ধোকড়াকুল, আটভাগ ও বাঁশবাড়িয়া এলাকায় এই অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে মাদক বিক্রি ও সেবনের অভিযোগে ৪ জনকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড প্রদান করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
অভিযান পরিচালনাকালে আটভাগ, বাঁশবাড়িয়া ও ধোকড়াকুল এলাকা থেকে মাদক বিক্রি ও সেবনের সঙ্গে জড়িত থাকার অপরাধে চারজনকে আটক করা হয়। আটককৃত ব্যক্তিরা হলেন—বাঁশবাড়িয়া এলাকার রাজু আহমেদের ছেলে ইমন ও হাবিবুর রহমানের ছেলে তুহিন, আটভাগ এলাকার আলী হোসেনের ছেলে জুয়েল রহমান এবং ধোকড়াকুল এলাকার লায়েবের ছেলে রাজু ইসলাম।
পরবর্তীতে পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে অপরাধ স্বীকার ও প্রমাণের ভিত্তিতে চারজনকেই ০৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। এছাড়া অপরাধের মাত্রা অনুযায়ী তিনজনকে ১,০০০ টাকা করে এবং অন্য একজনকে ১০,০০০ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।
উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এলাকার শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা ও যুবসমাজকে ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচাতে মাদকবিরোধী এই শূন্য সহনশীলতা (জিরো টলারেন্স) নীতি বজায় থাকবে। অসাধু মাদক কারবারি ও সেবীদের বিরুদ্ধে কঠোর থেকে কঠোরতর আইনানুগ ব্যবস্থা ও অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।
পাঠকের মন্তব্য
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।
মন্তব্য
বাছাই সংবাদ
টুঙ্গিপাড়ায় গৃহবধূকে হাত-পা বেঁধে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ, যুবদল সভাপতিসহ গ্রেপ্তার ২
পড়তে পারেন

পাঠকের মন্তব্য
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।
মন্তব্য
বাছাই সংবাদ
মানবপাচারকারীদের খপ্পরে পড়ে সর্বস্বান্ত জনি, দেশে ফিরেও অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ
পড়তে পারেন

মানবপাচারকারীদের খপ্পরে পড়ে সর্বস্বান্ত জনি, দেশে ফিরেও অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ
মোঃ লিটন সিকদার
নড়াইলের কালিয়া উপজেলার নড়াগাতী থানার বাগুডাঙ্গা গ্রামের যুবক জনি (৩০) কাজের আশায় বিদেশে গিয়ে মানবপাচারকারী চক্রের হাতে পড়ে প্রায় চার মাস ধরে থাইল্যান্ডে অমানবিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। পরে তাকে অবৈধভাবে মালয়েশিয়ায় পাঠিয়ে দেওয়া হয়। সেখানে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে রাতের আঁধারে একটি স্বাস্থ্যকেন্দ্রের সামনে তাকে ফেলে রেখে যায় দালালচক্র—এমন অভিযোগ করেছেন জনি।
দীর্ঘ দুর্ভোগের পর বাংলাদেশ হাইকমিশনের সহযোগিতা এবং স্থানীয় কয়েকজনের আর্থিক সহায়তায় গত ৫ সেপ্টেম্বর দেশে ফিরেছেন তিনি। তবে দেশে ফিরলেও নির্যাতনের শারীরিক ক্ষত ও অসুস্থতার পাশাপাশি চরম আর্থিক সংকটে পড়েছেন জনি। বর্তমানে চিকিৎসা ও স্বাভাবিক জীবনে ফেরার জন্য সহযোগিতা প্রয়োজন তার।
জনির বাবা ফোরকান খা জানান, কাজ দেওয়ার কথা বলে প্রথমে তার ছেলেকে টেকনাফে নেওয়া হয়। সেখানে একটি দালালচক্রের হাতে তুলে দেওয়ার পর মাছ ধরার নৌকায় করে তাকে থাইল্যান্ডে পাচার করা হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি। পরে পরিবারের কাছে চার লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। সেই টাকা দিতে না পারায় জনির ওপর নির্যাতন চালানো হয় বলেও অভিযোগ পরিবারের।
জনির পরিবারের দাবি, প্রায় চার মাস থাইল্যান্ডে থাকার পর তাকে মালয়েশিয়ায় পাঠিয়ে দেওয়া হয়। সেখানেও তিনি নির্যাতনের শিকার হন এবং একপর্যায়ে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে মালয়েশিয়ার পেনাং রাজ্যের বুকিত মেরতাজাম এলাকায় তাকে উদ্ধার করা হয়।
জনিকে দেশে ফেরাতে সহযোগিতা করা আরিফুল ইসলাম চৌধুরী জানান, গত ৩১ আগস্ট জনির অসুস্থতার খবর পাওয়ার পর তার অবস্থান শনাক্ত করা হয়। এরপর তিনি সরাসরি বুকিত মেরতাজামে গিয়ে জনির সঙ্গে দেখা করেন। পরে বাংলাদেশ হাইকমিশনসহ স্থানীয় কয়েকজনের সহযোগিতায় প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে জনিকে দেশে ফেরানোর ব্যবস্থা করা হয়।
সংশ্লিষ্টদের ধারণা, বাংলাদেশ থেকে টেকনাফ হয়ে থাইল্যান্ড এবং পরে মালয়েশিয়ায় জনিকে পাচারের ঘটনায় একটি সংঘবদ্ধ মানবপাচারকারী চক্র জড়িত থাকতে পারে। ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
মানবপাচারের ভয়াবহ অভিজ্ঞতা নিয়ে দেশে ফিরলেও জনির দুর্ভোগ এখনও শেষ হয়নি। বর্তমানে তার প্রয়োজন উন্নত চিকিৎসা, পুনর্বাসন এবং পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর জন্য মানবিক সহায়তা। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পাশাপাশি সমাজের বিত্তবান ও মানবিক মানুষদেরও তার পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন পরিবারের সদস্যরা।
পাঠকের মন্তব্য
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।



















































এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।